Saturday, April 26, 2025

দেশে মানবতার আলো ছড়ানো এক তরুণ সমাজদ্রষ্টা ভোলার তজুমদ্দিনের ছেলে আরফিন রাহাদ

দেশে মানবতার আলো ছড়ানো এক তরুণ সমাজদ্রষ্টা ভোলার তজুমদ্দিনের ছেলে আরফিন রাহাদ।।

এইচ এম হাছনাইন, ভোলা প্রতিনিধি 

 সমাজ পরিবর্তনের স্বপ্ন শুধু চোখে দেখা নয়, বাস্তবে তা বাস্তবায়ন করাই কঠিন। তরুণ সমাজকর্মী আরফিন রাহাদ সেই কঠিন কাজটিকেই সহজ করে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। মাটির কাছাকাছি থেকে মানুষের দুঃখ-দুর্দশা দেখেই তার মনে জন্ম নেয় এক প্রবল সামাজিক দায়িত্ববোধ। এই দায়িত্ববোধ থেকেই তিনি নিজেকে নিবেদন করেছেন মানুষের কল্যাণে। আরফিন রাহাদ প্রতিষ্ঠা করেছেন "যুব তারুণ্য ফাউন্ডেশন" নামক একটি সম্পূর্ণ অলাভজনক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। যার মাধ্যমে তিনি তরুণদের সংগঠিত করে সমাজ উন্নয়নের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। সংগঠনটি শুরু থেকেই সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা সহায়তা, দরিদ্র পরিবারের খাদ্য সহায়তা, স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক কর্মসূচি এবং পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। সম্প্রতি সংগঠনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় এক বিশেষ শিক্ষা সহায়তা কর্মসূচি, যেখানে শতাধিক শিশু শিক্ষার্থীকে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়। এর পাশাপাশি ফাউন্ডেশনটি স্বেচ্ছাসেবী ভিত্তিতে রক্তদান কর্মসূচি, বৃক্ষরোপণ এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক ক্যাম্পেইন পরিচালনা করে ব্যাপক সাড়া ফেলে। করোনাভাইরাস মহামারির সময় আরফিন রাহাদ তার জীবন ঝুঁকিতে ফেলে দরিদ্র ও কর্মহীন পরিবারের মাঝে খাদ্য ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী পৌঁছে দেন। তার এ উদ্যোগ এলাকার মানুষের মনে এক গভীর ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতার জন্ম দেয়। সে সময় স্থানীয় প্রশাসনও তার কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করে। একান্ত আলাপে আরফিন রাহাদ বলেন,"আমাদের সমাজে অনেক সমস্যা রয়েছে। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি, যদি তরুণরা এগিয়ে আসে, তাহলে প্রতিটি সমস্যার সমাধান সম্ভব। আমি আমার সামান্য সামর্থ্য দিয়েই মানুষের জন্য কাজ করতে চাই।" এলাকার বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ আবদুল কাদের বলেন, "রাহাদের মতো উদ্যমী তরুণরা সমাজের আসল পরিবর্তনের রূপকার। তার নেতৃত্বে আমরা দেখতে পাচ্ছি নতুন প্রজন্মের মাঝে সামাজিক সচেতনতার বিস্তার।" বর্তমানে আরফিন রাহাদ তার সংগঠনের কার্যক্রম সারাদেশে বিস্তৃত করার লক্ষ্যে পরিকল্পনা করছেন। তিনি মনে করেন, দেশের প্রতিটি অঞ্চলে তরুণদের সামাজিক উন্নয়নে সম্পৃক্ত করা গেলে একটি মানবিক, সহনশীল ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: