সর্বশেষ

Saturday, July 4, 2026

ভোলায় সমাজসেবার কম্পিউটার প্রশিক্ষণ তালিকা নিয়ে ক্ষোভ; উপপরিচালক রজত শুভ্র সরকারের বিরুদ্ধে মুসলিম সম্প্রদায়কে বাদ দিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়কে অগ্রাধিকার দেওয়ার অভিযোগ

ভোলায় সমাজসেবার কম্পিউটার প্রশিক্ষণ তালিকা নিয়ে ক্ষোভ; উপপরিচালক রজত শুভ্র সরকারের বিরুদ্ধে মুসলিম সম্প্রদায়কে বাদ দিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়কে অগ্রাধিকার দেওয়ার অভিযোগ


 ভোলায় সমাজসেবার কম্পিউটার প্রশিক্ষণ তালিকা নিয়ে ক্ষোভ; উপপরিচালক রজত শুভ্র সরকারের বিরুদ্ধে মুসলিম সম্প্রদায়কে বাদ দিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়কে অগ্রাধিকার দেওয়ার অভিযোগ


এইচ এম হাছনাইন, ভোলা প্রতিনিধি 

ভোলা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজিত কম্পিউটার বেসিক প্রশিক্ষণের প্রকাশিত অংশগ্রহণকারীদের তালিকা নিয়ে জেলাজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। প্রশিক্ষণার্থী নির্বাচনে ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে বৈষম্যের অভিযোগ তুলেছেন একাধিক আবেদনকারী ও স্থানীয় সচেতন মহল।


প্রকাশিত তালিকায় ২৫ জন প্রশিক্ষণার্থীর নাম রয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, তালিকায় অন্তর্ভুক্ত প্রায় সবাই সনাতন ধর্মাবলম্বী এবং মুসলিম সম্প্রদায়ের আবেদনকারীদের বাছাই প্রক্রিয়ায় উপেক্ষা করা হয়েছে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।






অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ভোলা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক রজত শুভ্র সরকারের তত্ত্বাবধানে নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। অভিযোগকারীদের প্রশ্ন, সরকারি প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে ধর্মীয় ভারসাম্য ও যোগ্যতার বিষয়টি যথাযথভাবে বিবেচনা করা হয়েছে কি না।


মীর তানু নামক একজন সচেতন নাগরিক ফেসবুকে লিখেন, " মনে হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভগ্নিপতি যেন, ভোলা জেলা সমাজকল্যাণ কর্মকর্তা হিসেবে 'প্রাইজ পোস্টিং' পেয়েছেন!


সম্প্রতি কম্পিউটার বেসিক ট্রেনিংয়ের অংশগ্রহণকারীদের যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, সেখানে দেখা যাচ্ছে প্রায় ৯০% নামই সনাতন ধর্মাবলম্বীদের। অভিযোগ উঠেছে, বেছে বেছে অনেক মুসলিম আবেদনকারীকে বাদ দেওয়া হয়েছে।


খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট জেলা সমাজকল্যাণ কর্মকর্তার নাম রজত শুভ্র সরকার, যিনি নিজেও সনাতন ধর্মাবলম্বী।


যদি নিয়োগ বা নির্বাচন প্রক্রিয়ায় ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনায় এনে বৈষম্য করা হয়ে থাকে, তাহলে সেটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং এর সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত। সরকারি সুযোগ-সুবিধা বণ্টনে ধর্ম নয়, যোগ্যতাই একমাত্র বিবেচ্য হওয়া উচিত। "


তার ফেসবুক পোস্টের কমেন্টে অনেকে লিখেন, বাংলাদেশী বেশিরভাগ হিন্দুদেরকে বড় বড় অফিসার পোস্টে দেওয়া হয়েছে এজন্যই হিন্দু ছাড়া কোন মুসলমান চাকরি পাচ্ছে না এই হইলো বাংলাদেশের অবস্থা।


এই লিস্ট দেখে বুঝা যাচ্ছে যে ভোলায় কোন মুসলিম নাই সব হিন্দু।



বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে উপযুক্ত বিচার নিশ্চিত করা দরকার।



স্থানীয়দের দাবি, যদি প্রশিক্ষণার্থী নির্বাচনে ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনায় এনে কোনো ধরনের বৈষম্য করা হয়ে থাকে, তবে বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও উচ্চপর্যায়ের তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য উদঘাটন এবং প্রয়োজনে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।


এ সম্পর্কে জেলা প্রশাসক এবং উপপরিচালক রজত শুভ্র সরকারের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।




উল্লেখ্য যে, এই কম্পিউটার প্রশিক্ষণ এসেছে “অনগ্রসর জনগোষ্ঠী” চা-শ্রমিক, হিজড়া, বেদে এবং সমাজের বিভিন্ন অনগ্রসর সম্প্রদায় (যেমন— জেলে, নিকারী, বৈরী, গড়, সন্ন্যাসী, পাটনী, কুশিমালি, খুমি, কায়স্থপুত্র/কাওড়া, কাহার, তাঁতী, বেহারা, পাটিকর, চৌদুলি, নরসুন্দর/নাপিত, ভোয়ার, চুনার/চুনকার, গোয়ালা, জোয়, কুমার, তেলী, হাজাম, রাউত, কুশিয়ারি, দেববর্মী, অহিমিয়া, কাইবর্ত, জলদাস, মালাকার, কানুপ্রী, কামার, নমঃশূদ্র, অলমিক, বৈকর্ত, পরবাসী, কপালিক, নায়েক, পৌণ্ড্রক্ষত্রিয়/পোদ, রাজবংশ, বাউড়ি, বাওয়ালী, বীন, বুনো, বুনাজ, বাঁশফোড়া, বিন্দ, ভগবানীয়া/কুড়িভাঙা, ভূঁইমাল, মাঝমাল, মালো, মৌয়াল, যুগী/নাথ, রজকধোপা/ধোপা, রাজবংশী, রানাকর্মকার, রবিদাস, লিসাম, শব্দকর, সিং, হাজারা, ইত্যাদি, হেলা, বাল্মীকি, লালবেগী, ছাপারাইতা, মাঝাইম্যা, আগারিয়া, বেলদার, কাপালী, জালো, বাহেলিয়া, কায়োরা, রাজি, বাদেওয়ারা, মাল, মাহার, মেথর, বাইতি, গুড়ি, দোহাই, সূত্রধর, মালী, কোটাল, তিওর, নাট, বাদ্যকর, কলু, নাকশী, ধুনকার, মশালচী, চর্মকার, ভৌমিক, ভগত, মাটিয়াল, গঞ্জি ইত্যাদি) অনগ্রসর জনগোষ্ঠী হিসেবে বিবেচিত হবে। এছাড়া সরকার কর্তৃক সময়ে সময়ে বাস্তবতার নিরিখে কোনো সম্প্রদায়কে অনগ্রসর ঘোষণা করা হলে তাও এ জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত হবে।



এখন ভোলার সচেতন নাগরিকদের প্রশ্ন যে, ভোলায় কি কোন জেলে তাঁতি গাছি মাটিয়াল সম্প্রদায়ের লোক মুসলিম নয়? নাকি তারা আবেদন করার পরেও তাদের নির্বাচিত করা হয়নি? এ বিষয়টি পরিষ্কার করতে হবে।



বিশ্লেষকদের মতে, সরকারি প্রশিক্ষণ, অনুদান বা অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বণ্টনের ক্ষেত্রে ধর্ম, বর্ণ বা রাজনৈতিক পরিচয় নয়; নির্ধারিত নীতিমালা, স্বচ্ছতা ও যোগ্যতাই একমাত্র বিবেচ্য হওয়া উচিত। তাই উদ্ভূত বিতর্ক নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত ব্যাখ্যা প্রদান এবং প্রয়োজনে তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া জনআস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

Friday, July 3, 2026

ভোলায় ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ-এর তৃণমূল প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে

ভোলায় ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ-এর তৃণমূল প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে


  ভোলায় ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ-এর তৃণমূল প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে 



এইচ এম হাছনাইন, ভোলা প্রতিনিধি 

 ৩রা জুলাই ২০২৬, শুক্রবার সকাল ৮টায় ভোলার উকিলপাড়া গোরস্থান সড়কস্থ আইসিএবি জেলা কার্যালয় অডিটোরিয়ামে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ ভোলা জেলা উত্তর শাখার উদ্যোগে তৃণমূল প্রতিনিধি সম্মেলন '২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়।


ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ ভোলা জেলা উত্তর শাখার সভাপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ ইমরান হোসাইনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ইমরান হোসাইন নূর।


প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ ছাত্রসমাজের প্রতিনিধিত্বশীল একটি আদর্শিক ছাত্র সংগঠন। তিনি বলেন, নৈতিকতা, আদর্শ, শৃঙ্খলা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ ছাত্রসমাজ গঠনে সংগঠনটি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি প্রতিনিধিদের সাংগঠনিক দক্ষতা বৃদ্ধি, দাওয়াতি কার্যক্রম জোরদার, শিক্ষাঙ্গনে ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা এবং সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। পাশাপাশি তিনি আগামী দিনের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে তৃণমূলভিত্তিক ও গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে সংগঠনের দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।


প্রধান মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় তথ্য গবেষণা ও প্রযুক্তি সম্পাদক এস. এম. কামরুল ইসলাম।


বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ভোলা জেলা উত্তর শাখার সেক্রেটারি মাওলানা তরিকুল ইসলাম তারেক এবং ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ ভোলা জেলা উত্তর শাখার সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় সূরা সদস্য মাওলানা মুহাম্মাদ আবু জাফর।


সম্মেলনে জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও থানা শাখা থেকে আগত প্রতিনিধিবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। এ সময় সাংগঠনিক কার্যক্রমের মূল্যায়ন, ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

Friday, June 12, 2026

তজুমদ্দিনের চাঁচড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনার শীর্ষে মাওলানা শোয়াইব আহমেদ ফরিদ

তজুমদ্দিনের চাঁচড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনার শীর্ষে মাওলানা শোয়াইব আহমেদ ফরিদ

 


তজুমদ্দিনের চাঁচড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনার শীর্ষে মাওলানা শোয়াইব আহমেদ ফরিদ


এইচ এম হাছনাইন, তজুমদ্দিন প্রতিনিধি 

ভোলা জেলার তজুমদ্দিন উপজেলার ৪নং চাঁচড়া ইউনিয়নে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নিয়ে জনমনে আলোচনা চলছে। সেই আলোচনায় শীর্ষে উঠে এসেছে সৎ, যোগ্য, দক্ষ, আদর্শবান, নীতিবান, পরোপকারী, মেধাবী ও শিক্ষিত তরুণ সমাজসেবক মাওলানা শোয়াইব আহমেদ ফরিদের নাম।


চাঁচড়া ইউনিয়নের বাসিন্দা মাওলানা শোয়াইব আহমেদ ফরিদ দীর্ঘদিন ধরে এলাকার সাধারণ মানুষের পাশে থেকে নীরবে মানবসেবামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছেন। রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে তিনি অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে কাজ করে এলাকাবাসীর আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছেন।

মানবিক কর্মকাণ্ডে আস্থা অর্জন, গৃহহীনদের ঘর নির্মাণ থেকে ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা—সবখানেই প্রশংসিত তরুণ সমাজসেবক মাওলানা শোয়াইব আহমেদ ফরিদ।


স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত তিন মাসে তাঁর উদ্যোগে চাঁচড়া ইউনিয়নের গৃহহীন, গরিব ও অসহায় ৬০টি পরিবারকে নতুন ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে। মাথা গোঁজার ঠাঁই পেয়ে এসব পরিবারের সদস্যরা নতুনভাবে জীবন শুরু করার সুযোগ পেয়েছেন। তাঁর এই উদ্যোগ এলাকাজুড়ে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।


এছাড়াও পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে গত ২৮ মে ২০২৬, বৃহস্পতিবার, কোরবানির দিনে চাঁচড়া ইউনিয়নের ১৫০টি গরিব, অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে গরুর গোশত বিতরণ করা হয়।


মাওলানা শোয়াইব আহমেদ ফরিদের পক্ষ থেকে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে নিম্নআয়ের পরিবার, দিনমজুর, বিধবা ও অসহায় মানুষের ঘরে ঘরে ঈদের আনন্দ পৌঁছে দেওয়া হয়। উপকারভোগীরা জানান, এমন সহমর্মিতাপূর্ণ উদ্যোগ তাদের ঈদের আনন্দকে আরও পরিপূর্ণ করেছে।


এ সময় উপস্থিত স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ বলেন,

"ঈদের আনন্দ সমাজের সব শ্রেণির মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে এমন উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। সমাজের বিত্তবানদেরও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো উচিত।"


স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রেও ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন মাওলানা শোয়াইব আহমেদ ফরিদ। তাঁর উদ্যোগে গত কয়েক মাসে চাঁচড়া ইউনিয়নসহ আশপাশের এলাকার ১,৩২৫ জন রোগীকে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি ৭৭৫ জন রোগীর বিনামূল্যে ছানি অপারেশন সম্পন্ন করা হয়েছে এবং তাদের মাঝে ফ্রি চশমা বিতরণ করা হয়েছে।


স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে অনেক মানুষ চোখের চিকিৎসা করাতে পারতেন না। বিনামূল্যের এসব স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম তাদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে এসেছে।


মানবিক এই উদ্যোগের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আগামী ১৪ জুন ২০২৬, রবিবার, সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত, চাঁচড়া আনন্দবাজার সংলগ্ন বাইতুল কোরআন কারিমীয়া মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্ঠিত হবে ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা, ফ্রি ছানি অপারেশন নিবন্ধন ও ফ্রি চশমা বিতরণ কর্মসূচি।


আয়োজক সূত্র জানায়, অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে পরিচালিত এই ক্যাম্পে অসচ্ছল ও সুবিধাবঞ্চিত রোগীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হবে। প্রয়োজনে রোগীদের ছানি অপারেশনের জন্য নির্বাচন করা হবে এবং বিনামূল্যে চশমাও বিতরণ করা হবে।


মাওলানা শোয়াইব আহমেদ ফরিদ বলেন, মানুষের সেবা করাই আমার জীবনের অন্যতম লক্ষ্য ও অঙ্গীকার। আমি বিশ্বাস করি, মানুষের দুঃখ-কষ্টে পাশে দাঁড়ানোই প্রকৃত মানবতার পরিচয়। তাই আমি নিজের জীবনকে অসহায়, দুস্থ ও অবহেলিত মানুষের কল্যাণে উৎসর্গ করতে চান।আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে যদি জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থনে আমি চাঁচড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হই, তাহলে দায়িত্বের পরিধি আরও বিস্তৃত হবে এবং আমি আরও বেশি মানুষের সেবা করার সুযোগ পাব। আর যদি নির্বাচিত নাও হই, তবুও মানুষের পাশে থাকার এই পথ থেকে আমি কখনো সরে যাব না। ইনশাআল্লাহ, সারাজীবন তিনি সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের সাথী হয়ে তাদের কল্যাণে কাজ করে যাব। পদ নয়, মানুষের ভালোবাসা ও সেবাই আমার মূল প্রেরণা। মানুষের পাশে ছিলাম, আছি এবং ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতেও থাকব।"



চাঁচড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মানবিক মূল্যবোধ, জনসম্পৃক্ততা এবং সেবামূলক কর্মকাণ্ডের কারণে মাওলানা শোয়াইব আহমেদ ফরিদ ইতোমধ্যে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন। অনেকেই মনে করছেন, জনগণের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার এই ধারাবাহিকতাই তাঁকে ইউনিয়নের সম্ভাব্য নেতৃত্বের আলোচনায় অন্যতম অবস্থানে নিয়ে এসেছে।


তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে ভোটারদের রায়ের ওপর। আর সেই রায় নির্ধারণে প্রার্থীদের অতীত কর্মকাণ্ড, সততা, যোগ্যতা এবং জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

Sunday, April 19, 2026

চরফ্যাশনের দুলারহাটে ইমামের উপর উগ্রবাদীদের সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী হামলা

চরফ্যাশনের দুলারহাটে ইমামের উপর উগ্রবাদীদের সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী হামলা

 

চরফ্যাশনের দুলারহাটে ইমামের ওপর সংঘবদ্ধ হামলা, এলাকায় উত্তেজনা


নিজস্ব প্রতিবেদক, ভোলা টুডে ও ভোলা লাইভ নিউজ 

ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার দুলারহাট এলাকায় এক মসজিদের ইমামের ওপর সংঘবদ্ধ হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে এলাকায় চাঞ্চল্য ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, দুলারহাট মতিউর রহমান মাস্টার বাড়ি জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা মাকসুদুর রহমান সোহাগকে মঙ্গলবার রাতে এশার আজানের পূর্ব মুহূর্তে একদল দুর্বৃত্ত হামলা চালায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা গেছে, ১০ থেকে ১২ জনের একটি দল মসজিদের সামনে এসে অতর্কিতভাবে তার ওপর হামলা করে।

হামলাকারীরা তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করলে এক পর্যায়ে তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তারা দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে, ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এলাকাবাসী। তারা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে।

Thursday, December 4, 2025

ভোলা সরকারি কলেজে ছাত্র সংসদ, দ্রুত কলেজ বাস বরাদ্দসহ ৬ দফা দাবি পেশ করে অধ্যক্ষ বরাবর ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের স্মারকলিপি প্রদান

ভোলা সরকারি কলেজে ছাত্র সংসদ, দ্রুত কলেজ বাস বরাদ্দসহ ৬ দফা দাবি পেশ করে অধ্যক্ষ বরাবর ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের স্মারকলিপি প্রদান

 

ভোলা সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদ (BGCSU) নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা ও কলেজ বাস বরাদ্দের সহ ৬ দফা দাবি পেশ করে অধ্যক্ষ বরাবর ইশার স্মারকলিপি প্রদান

‎এইচ এম হাছনাইন, ভোলা প্রতিনিধি 

০৪ ডিসেম্বর'২৫ রোজ বৃহস্পতিবার ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ ভোলা সরকারি কলেজ শাখার পক্ষ থেকে অধ্যক্ষ বরাবর কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচন ও কলেজে বাস বরাদ্দের দাবি পেশ করে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

‎স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, ‎ভোলা সরকারি কলেজ দেশের দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। গণতান্ত্রিক চর্চা, নেতৃত্ব বিকাশ, সাংস্কৃতিক অগ্রগতি এবং শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টিতে ছাত্র সমাজের ভূমিকা অতুলনীয়। সেই নেতৃত্ব উন্নয়নের অন্যতম প্ল্যাটফর্ম—ভোলা সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদ (BGCSU)।

‎দীর্ঘদিন ধরে BGCSU নির্বাচন না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা সংগঠন, সাংস্কৃতিক কার্যক্রম এবং গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব বিকাশ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ক্যাম্পাসে একটি সুস্থ, গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ টিকিয়ে রাখতে এবং শিক্ষার্থীদের অধিকার নিশ্চিত করতে দ্রুত নির্বাচন অপরিহার্য।

‎উপরোক্ত প্রেক্ষাপটে, আমরা ভোলা সরকারি কলেজে প্রায় ১০,০০০ শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করে। দূর-দূরান্ত থেকে শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন কলেজে আসা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য ও ব্যয়বহুল। শিক্ষার্থীদের নিরাপদ, স্বল্পব্যয়ী ও সুষ্ঠু যাতায়াত নিশ্চিত করতে কলেজে কমপক্ষে একটি কলেজ বাস বরাদ্দ অত্যন্ত জরুরি।

‎তাই কলেজ প্রশাসনের নিকট নিম্নোক্ত ৬ দফা যৌক্তিক দাবি উপস্থাপন করা হয়।

‎▪১.আগামী জানুয়ারি'২৬ প্রথম সপ্তাহের মধ্যে ভোলা সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদ (BGCSU)-এর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা ও পূর্ণাঙ্গ রোডম্যাপ প্রকাশ করতে হবে।

‎▪️২.ভোটার তালিকা, বাজেট, প্রচারণা, প্রার্থী যাচাই ও নির্বাচন পরিচালনা—সমস্ত কার্যক্রম স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নিশ্চিত করতে হবে।

৩.প্রশাসন, শিক্ষক প্রতিনিধি ও শিক্ষার্থী প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি তদারকি কমিটি গঠন করতে হবে।


৪.শিক্ষার্থীদের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা করে ক্যাম্পাসে সুশৃঙ্খল, শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হবে।

৫.নির্বাচিত ছাত্র সংসদের মাধ্যমে একাডেমিক, সাংস্কৃতিক, ক্রীড়া, সামাজিক ও কল্যাণমূলক কার্যক্রম পুনরুজ্জীবিত করতে হবে।

৬.ভোলা সরকারি কলেজে প্রায় ১০,০০০ শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করে। দূর-দূরান্ত থেকে শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন কলেজে আসা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য ও ব্যয়বহুল। শিক্ষার্থীদের নিরাপদ, স্বল্পব্যয়ী ও সুষ্ঠু যাতায়াত নিশ্চিত করতে কলেজে কমপক্ষে একটি কলেজ বাস বরাদ্দ অত্যন্ত জরুরি।

‎অতএব, দ্রুত কলেজ বাস বরাদ্দ ও নিয়মিত পরিচালনার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ ভোলা সরকারি কলেজ শাখার নেতৃবৃন্দ বলেন, ‎আমাদের প্রত্যাশা 

ভোলা সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদ (‎BGCSU) নির্বাচন শিক্ষার্থীদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা, নেতৃত্ব বিকাশ এবং একটি সুশৃঙ্খল ও আধুনিক শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ভোলা সরকারি কলেজের গৌরবময় ঐতিহ্য আরও সমুন্নত হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

‎এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ ভোলা জেলা উত্তর শাখা সহ-সভাপতি ও কলেজ শাখার সাবেক সভাপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান।

‎ভোলা সরকারি কলেজ শাখার সভাপতি মুহাম্মদ হাসান, সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ জোবায়ের আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ হামিম, দাওয়া সম্পাদক মুহাম্মদ জাবের, তথ্য গবেষণা ও প্রচার সম্পাদক মোঃ জুবায়ের, সদস্য মুহাম্মদ ইমন, সদস্য মুহাম্মদ সাইদুল ইসলাম সহ প্রমূখ নেতৃবৃন্দ।

Sunday, October 12, 2025

ভোলাবাসীর সাশ্রয়ী চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালের সঙ্গে ভোলা জেলা সমিতির চুক্তি

ভোলাবাসীর সাশ্রয়ী চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালের সঙ্গে ভোলা জেলা সমিতির চুক্তি


 এইচ এম হাছনাইন, ভোলা প্রতিনিধি 

চট্টগ্রামে বসবাসরত ভোলাবাসীদের জন্য উন্নত ও মানবিক স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করতে আজ ১০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল, আগ্রাবাদের সঙ্গে একটি কর্পোরেট চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ভোলা জেলা সমিতি চট্টগ্রাম এবং ভোলা জেলা সমিতির স্বাস্থ্যসেবা বাস্তবায়ন কমিটি।

চুক্তির আওতায় ভোলার স্থায়ী বাসিন্দারা, বিশেষ করে চট্টগ্রামে অবস্থানরতরা, এখন থেকে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালের বিভিন্ন চিকিৎসাসেবা পাবেন সাশ্রয়ী মূল্যে। স্বল্প খরচে মানসম্পন্ন চিকিৎসা সুবিধা প্রদানে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মন্তব্য করেন সংশ্লিষ্টরা।

ভোলা জেলা সমিতি চট্টগ্রামের পক্ষ থেকে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন সংগঠনের সভাপতি এ জেড এম ফারুক, সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান রায়হান, স্বাস্থ্যসেবা বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক আলী আজগর এবং সদস্য সচিব শেখ শরীফ।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ভোলা জেলা সমিতি চট্টগ্রামের অর্থ সম্পাদক ফিরোজ চৌধুরী, মোসলেউদ্দিন বাহার, ওমর ফারুক, শাহাবুদ্দিন, আলাউদ্দিন আহমেদ, ফিরোজ, মনির, লোকমান, মোকছেদুর রহমান, সিয়াম, মহিউদ্দিন রিয়াজ ও রিয়াজুল ইসলামসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।



অন্যদিকে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন হাসপাতালের সুপারিনটেনডেন্ট ইদ্রিস উল্লাহ ভূঁইয়া, প্রশাসন ও মানবসম্পদ বিভাগের আব্দুল্লাহ আল আজিজ এবং অ্যাকাউন্টস ও প্রশাসন বিভাগের মীর হোসাইন।

এই আয়োজনটি পরিচালনা করেছে ভোলা জেলা সমিতির স্বাস্থ্যসেবা বাস্তবায়ন কমিটি। সংশ্লিষ্টরা জানান, এই উদ্যোগ শুধু একটি চুক্তি নয়, বরং এটি চট্টগ্রামে ভোলাবাসীদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতের পথে একটি বড় অগ্রগতি।
তজুমদ্দিনে ফ্যাসিস্ট সরকার আমলে ভুয়া জেলে কার্ড বাণিজ্যে সরকারি সহায়তা থেকে বঞ্চিত অধিকাংশ প্রকৃত জেলেরা

তজুমদ্দিনে ফ্যাসিস্ট সরকার আমলে ভুয়া জেলে কার্ড বাণিজ্যে সরকারি সহায়তা থেকে বঞ্চিত অধিকাংশ প্রকৃত জেলেরা


 এইচ এম হাছনাইন, তজুমদ্দিন প্রতিনিধি 

ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম উপলক্ষে নদীতে সকল ধরনের মাছ ধরার ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার। 


এ সময়ে জেলেরা মাছ ধরা বন্ধ রেখে নৌকা মেরামত, জাল তৈরি ও ছোটখাটো কাজের মাধ্যমে অবসর সময় কাটাচ্ছেন।


তবে অনেক পরিবার রয়েছে যারা নদীতে না গেলে দু’মুঠো খাবারও জোটাতে পারে না। এসব প্রকৃত জেলেরা এখন দারিদ্র্যের কষাঘাতে জর্জরিত।


নিষেধাজ্ঞাকালীন সময়ে জেলেদের জন্য সরকারি সহায়তা বরাদ্দ থাকলেও নিবন্ধিত জেলে তালিকায় সকল জেলের নাম না থাকায় সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন অনেক জেলেরা। 


অতীতে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অনেক ভুয়া জেলেকে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকার বিনিময়ে কার্ড সরবরাহ করায় প্রকৃত জেলেরা সরকারি সহায়তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন একজন জেলে 


ভিজিএফ এর আওতাধীন বরাদ্দ হিসেবে শুধুমাত্র ২৫ কেজি করে চাল বিতরণ করা হলেও তেল, নুন, ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কেনার মতো সামর্থ্য নেই অধিকাংশ জেলের। 


প্রকৃত জেলেদের পুনঃনিবন্ধন, ভুয়া কার্ড বাতিল, বরাদ্দ বৃদ্ধি ও সহায়তার পরিধি সম্প্রসারণে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতি দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত জেলেরা।


বর্তমানে তজুমদ্দিন উপজেলায় নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ১৯,৯২৭ থাকলেও ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের বরাদ্দ এসেছে এসেছে মাত্র ১৮,৭১৫ জনের। 


তজুমদ্দিন উপজেলায় আনুমানিক দেড় হাজার জেলে এখনো অনিবন্ধিত রয়েছেন। অতি শীঘ্রই এই অনিবন্ধিত জেলেদেরও নিবন্ধনের আওতায় আনা হবে বলে জানান উপজেলা মৎস কর্মকর্তা মোঃ আমির হোসেন।