এইচ এম হাছনাইন, তজুমদ্দিন প্রতিনিধি
ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম উপলক্ষে নদীতে সকল ধরনের মাছ ধরার ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার।
এ সময়ে জেলেরা মাছ ধরা বন্ধ রেখে নৌকা মেরামত, জাল তৈরি ও ছোটখাটো কাজের মাধ্যমে অবসর সময় কাটাচ্ছেন।
তবে অনেক পরিবার রয়েছে যারা নদীতে না গেলে দু’মুঠো খাবারও জোটাতে পারে না। এসব প্রকৃত জেলেরা এখন দারিদ্র্যের কষাঘাতে জর্জরিত।
নিষেধাজ্ঞাকালীন সময়ে জেলেদের জন্য সরকারি সহায়তা বরাদ্দ থাকলেও নিবন্ধিত জেলে তালিকায় সকল জেলের নাম না থাকায় সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন অনেক জেলেরা।
অতীতে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অনেক ভুয়া জেলেকে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকার বিনিময়ে কার্ড সরবরাহ করায় প্রকৃত জেলেরা সরকারি সহায়তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন একজন জেলে
ভিজিএফ এর আওতাধীন বরাদ্দ হিসেবে শুধুমাত্র ২৫ কেজি করে চাল বিতরণ করা হলেও তেল, নুন, ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কেনার মতো সামর্থ্য নেই অধিকাংশ জেলের।
প্রকৃত জেলেদের পুনঃনিবন্ধন, ভুয়া কার্ড বাতিল, বরাদ্দ বৃদ্ধি ও সহায়তার পরিধি সম্প্রসারণে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতি দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত জেলেরা।
বর্তমানে তজুমদ্দিন উপজেলায় নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ১৯,৯২৭ থাকলেও ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের বরাদ্দ এসেছে এসেছে মাত্র ১৮,৭১৫ জনের।
তজুমদ্দিন উপজেলায় আনুমানিক দেড় হাজার জেলে এখনো অনিবন্ধিত রয়েছেন। অতি শীঘ্রই এই অনিবন্ধিত জেলেদেরও নিবন্ধনের আওতায় আনা হবে বলে জানান উপজেলা মৎস কর্মকর্তা মোঃ আমির হোসেন।

0 coment rios: